স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে মোবাইল হারিয়ে যায় নাজমি আলম নামে ওই মাদ্রাসারই বছর কুড়ির এক ছাত্রের। অভিযোগ, এরপরেই মুখে কিছু না বলে ১২ জন ছাত্র মিলে মামুনকে বেধড়ক মারধর শুরু করে। কিছুক্ষণ বাদেই মারের চোটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মামুন। শোরগোল শুনে ততক্ষণে ঘটনাস্থলে পৌঁছন হোস্টেলের ইনচার্জ। তিনি অচৈতন্য অবস্থায় মামুনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে রঘুনাথগঞ্জ থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মামুনকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই মাদ্রাসা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আবু তোরাব জানান, “আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।”
পুলিশ সুপার মুকেশ কুমার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১২ জন ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

0 comments:
Post a Comment